
খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধিঃ
প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের হারানো সম্পদ উদ্ধারে ধারাবাহিক সাফল্য দেখিয়ে যাচ্ছে ৩ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৩ এপিবিএন), খুলনার অপস অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স শাখার সাইবার ক্রাইম ইউনিট। জুলাই ২০২৬ মাসে ইউনিটটি দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১১০টি হারানো মোবাইল ফোন, বিকাশ প্রতারণার ৩৮ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার এবং একজন সাইবার প্রতারককে গ্রেফতার করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।৩ এপিবিএন, খুলনার অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি এম. এম. সালাহউদ্দীনের নির্দেশনায় গঠিত অপস অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স শাখার সাইবার ক্রাইম ইউনিট নিয়মিতভাবে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদকবিরোধী অভিযান, হারানো মোবাইল ফোন শনাক্ত ও উদ্ধার এবং ফেসবুক ও অনলাইনভিত্তিক প্রতারণা দমনে কাজ করে যাচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার, দক্ষ তদন্ত এবং আন্তঃজেলা সমন্বয়ের মাধ্যমে ইউনিটটি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে।অধিনায়কের সার্বিক দিকনির্দেশনায় সহ-অধিনায়ক পুলিশ সুপার জি. এম. আবুল কালাম আজাদ (পিপিএম), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াসিন আলী এবং সহকারী পুলিশ সুপার মো. আলী নওয়াজের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অভিযানে দেশের বিভিন্ন থানায় হারানো মোবাইল সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরি (জিডি)-এর ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১১০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে বিকাশ প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগীদের ৩৮ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।এছাড়া সাইবার প্রতারণা সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তে একজন সাইবার প্রতারককে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ২টি মোবাইল ফোন, ৬টি সিম কার্ড এবং প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।২৯ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে ৩ এপিবিএন, খুলনায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি এম. এম. সালাহউদ্দীন উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশ প্রতারণার উদ্ধারকৃত অর্থ প্রকৃত মালিকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন।এ সময় অধিনায়ক বলেন, “৩ এপিবিএন, খুলনার সাইবার ক্রাইম ইউনিট প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ দমন এবং জনগণের হারানো সম্পদ উদ্ধারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জনসাধারণের ইতিবাচক সহযোগিতা ও সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে আরও অধিক ভুক্তভোগীকে দ্রুত আইনি সেবা প্রদান করা সম্ভব হবে।”সংশ্লিষ্টরা জানান, সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ, অনলাইন প্রতারণা দমন এবং হারানো সম্পদ উদ্ধারে ৩ এপিবিএন, খুলনার সাইবার ক্রাইম ইউনিট ভবিষ্যতেও একই পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
